Breaking News
Home / Uncategorized / ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশের ক্যানসার রোগীরা, টাকা আছে তবুও অসহায় !

ভারতে চিকিৎসা নিতে গিয়ে দিশেহারা বাংলাদেশের ক্যানসার রোগীরা, টাকা আছে তবুও অসহায় !

মোদী সরকারের ৪ঘন্টারও কম সময়ে গোটা ভারতে ৫০০ ও ১০০০ টাকার নোট বাতিল করার সিদ্ধান্তে চূড়ান্ত দুর্ভোগে ভারতে চিকিৎসা করতে আসা অসংখ্য বাংলাদেশি পরিবার।সরকারের নির্দেশিকা থাকা সত্ত্বেও ৫০০-১০০০ টাকার নোট নিচ্ছে না অধিকাংশ হাসপাতাল ও ওষুধের দোকান, কোথাও কোথাও নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কোথাও বা বাড়ি বা হোটেলের মালিক জানিয়ে দিয়েছেন, ৫০০ বা ১০০০ টাকা নোট নেবেন না তাঁরা। নিত্যদিনের খরচখরচার বোঝাও দুর্বহ হয়ে উঠছে। সব মিলিয়ে মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছে বাংলাদেশ থেকে আসা রোগীদের পরিবারগুলির।

ঢাকার মালিবাগের বাসিন্দা হাসিনা আখতার ছেলেকে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার আশায় প্রায় ২ মাস আগে এসেছেন কলকাতায়। উঠেছেন একটি ভাড়াবাড়িতে। এদিন সকালে সেই ভাড়াবাড়ির মালিক তাঁকে জানিয়ে দেন, অচল নোটে পেমেন্ট নেওয়া হবে না। সকালে বাজারে বেরিয়ে নিত্যদিনের খাওয়ার সবজি কিনতে গিয়েও একই সমস্যার মুখে পড়ে ফিরে আসেন তিনি। এর পরে এদিন দুপুরেই হাসপাতালে ছেলের চিকিৎসার জন্য ৪৫০০০ টাকা হাসপাতালে জমা দিতে গেলে সেখানেও ফিরিয়ে দেওয়া হয় তাঁকে। দিশেহারা হয়ে কলকাতার নিউ টাউনে টাটা ক্যানসার রিসার্চ সেন্টারের গেটেই কান্নায় ভেঙে পড়েন বাংলাদেশের এই বাসিন্দা।

হাসিনা আখতারের মত একই অবস্থা এদেশে চিকিৎসা করাতে আসা অসংখ্য বাংলাদেশি পরিবারের। তাঁদের অনেকের কাছে নিত্যদিনের খাওয়ার মত খুচরো টাকার সঞ্চয়টুকু নেই। পরিবার পরিজন নিয়ে বিদেশে এসে দিশেহারা অবস্থায় তাঁরা। কীভাবে পরিজনকে সুস্থ করিয়ে দেশে ফিরবেন, সেই চিন্তায় দিশেহারা এই পরিবারগুলি।

একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে ঠাকুরপুকুর ক্যানসার হাসপাতালের বিরুদ্ধেও। কেন্দ্রীয় সরকার আগামী ১১ তারিখ মধ্যরাত পর্যন্ত ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট হাসপাতালে ব্যবহার করা যাবে বলে জানিয়েছিল। কিন্তু কেন্দ্রীয় অনুদানপ্রাপ্ত ঠাকুরপুকুর ক্যানসার হাসপাতাল রীতিমতো বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৫০০, ১০০০ টাকার নোট নেওয়া হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে। ফলে এই হাসপাতালেও চিকিৎসা করাতে এসে চরম সমস্যায় পড়েছে রোগীর পরিবারগুলি।

শিশু ধর্ষণের শাস্তি ‘মৃত্যুদণ্ড’ করল ভারত
ভারতের মন্ত্রীসভা শিশুর ওপর ভয়াবহ যৌন অপরাধের শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে একটি ধারা সংশোধন করেছে। যেখানে বলা হয়েছে, যদি শিশুদের ধর্ষণ করা হয় তাহলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। বুধবার রাতে রাজধানী নয়া দিল্লিতে ‘প্রটেকশন অব চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস (পিওএসসিও) অ্যাক্ট ২০১২’ সংশোধন করেছে ভারতের মন্ত্রীসভা। ওই আইনে মোট ১৪টি সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে শিশু পর্নোগ্রাফি বন্ধে জরিমানা ও জেলের বিধান রাখার কথা বলা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাপতিত্বে মন্ত্রীপরিষদের বৈঠক থেকে এ বিষয়ে ক্লিয়ারেন্স দেওয়া হয়। পরে সাংবাদিকদের কাছে এ বিষয়ে অবহিত করেন তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক মন্ত্রী প্রকাশ জাভাদেকার।

এর আগে এসব সংশোধনী ফেব্রুয়ারিতে লোকসভায় বিল আকারে উত্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু তখন তা পাস করানো যায়নি। কারণ, এর পরপরই শুরু হয়ে যায় লোকসভা নির্বাচনের কার্যক্রম।সংশোধনীতে বলা হয়েছে, যদি শিশুদের ধর্ষণ করা হয় তাহলে তার শাস্তি হবে মৃত্যুদণ্ড। এতে আরো বলা হয়েছে, কারো কাছে শিশু পর্নোগ্রাফি বিষয়ক কোনো উপাদান থাকলে তাকে তিন বছর পর্যন্ত জেল দেয়া যাবে। এছাড়া শিশুদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপরাধের শাস্তির কথা উল্লেখ করে কয়েকটি নতুন সেকশন যুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ডিজিটাল অপরাধ।

সেকশন ৪, ৫ ও ৬-এ কোনো কোনো ক্ষেত্রে শাস্তি ৭ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর, ১০ বছর থেকে বাড়িয়ে ২০ বছর এবং ২০ বছর থেকে বাড়িয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড করা হয়েছে। সেকশন ১৪ ও ১৫ এর অধীনে শিশু পর্নোগ্রাফি বিষয় কাহিনী তৈরি, এসব বিষয়ক উপাদান মুছে না ফেলা এবং বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে শিশু পর্নোগ্রাফি তৈরি করার বিষয়ে শাস্তি ১০০০ রুপি জরিমানা থেকে শুরু করে সাত বছর পর্যন্ত জেলের বিধান রাখা হয়েছে।

এই সংশোধনীতে শিশু পর্নোগ্রাফি বিষয়ক ম্যাটেরিয়াল শিশুদের কাছে পৌঁছে দেয়াকেও শাস্তির আওতায় আনা হয়েছে। একে তথ্য প্রযুক্তি আইনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।এদিকে এই সংশোধনীতে ভারতের শিশুদেরকে যৌন অপরাধের হাত থেকে রক্ষায় একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত বলে দাবি করা হয়েছে সরকারি এক বিবৃতিতে।
বৃহস্পতিবার,

জুলাই ১১, ২০১৯

About admin

Check Also

আরো ১৩০০ পর্ন সাইট বন্ধ করা হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী!

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বর বলেছেন, আরো ১ হাজার ৩১৪টি পর্ন সাইট বন্ধের উদ্যোগ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *